ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার একাউন্ট খোলার পদ্ধতি

আমরা আজকের পোস্টটিতে জানবো কিভাবে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার একাউন্ট খুলতে হয়। আমরা আরো জানবো একাউন্ট করার জন্য কি কি ধাপ অতিক্রম করতে হবে এবং কোন কোন ব্যাংকে একাউন্ট খোলা যাবে সকল বিষয়ে বিস্তারিত জানবো।

আপনি যদি একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন, কিন্তু কিভাবে একাউন্ট খুলতে হয় এই বিষয়ে না জেনে থাকেন তাহলে এই পোস্টটি ভালো হবে শেষ পর্যন্ত পড়ুন। আজকের এই পোস্টটিতে ডলার রিসিভ করার একাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে টাকা হাতে আসা পর্যন্ত বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

পেন সূচিপত্রঃ ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার একাউন্ট খোলার পদ্ধতি

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার একাউন্ট খোলার পদ্ধতি

আমরা এখন জানবো ডলার রিসিভ করার একাউন্ট খোলার সকল পদ্ধতি এবং মাধ্যম সম্পর্কে। আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন তাহলে ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে কাজ করে ডলার আয় করতে পারবেন। সেজন্য আপনাকে জানতে হবে কাজ করার পরে কিভাবে দ্রুত এবং নিরাপদে ডলার রিসিভ করা যায়। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে ডলার আয় করে ডলার রিসিভ করতে চান সেজন্য আপনার একটি আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গ্রহণ যোগ্য একটি অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। আপনি ডলার রিসিভ করার জন্য অনেকগুলো মাধ্যম ব্যবহার করতে পারবেন সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য Payoneer, Wise, Skrill.

এছাড়াও আপনি চাইলে ব্যাংকের ফরেন কারেন্সি একাউন্ট খুলে ব্যবহার করতে পারবেন। আপনার একাউন্ট খোলার জন্য জাতীয় পরিচয় পত্র, পাসপোর্ট, ফোন নাম্বার এবং ব্যাংক একাউন্ট প্রয়োজন হবে। যদি আপনার একাউন্ট খোলার সময় সঠিক পরিচয় না দেন তাহলে একাউন্ট ভুলতে পারবেন না। আপনি যদি Payoneer, Wise বা Skrill এগুলোর যেকোনো একটি একাউন্ট খুলতে চান তাহলে প্রথম এদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। আপনার একাউন্ট খোলার জন্য নাম, জন্ম তারিখ, ঠিকানা এবং ইমেইল সঠিকভাবে দিয়ে একাউন্ট খুলতে হবে। একাউন্ট খোলার সময় আপনার সকল তথ্য যেন এনআইডি কার্ডের সাথে মিল থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। 

আপনি একাউন্ট খোলার সময় যদি কোন ভুল তথ্য দিয়ে থাকেন তাহলে একাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে। একাউন্ট খোলা হয়ে গেলে আপনার ব্যাংক একাউন্ট এড করতে হবে। ব্যাংক একাউন্ট এড করার ফলে আপনি টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। সকল কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পরে আপনি ফ্রিল্যান্সিং যে মাধ্যমে কাজ করেন সে মাধ্যমটির পেমেন্ট অপশনে এ একাউন্ট যুক্ত করতে হবে। আপনি যদি একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন তাহলে খুব সহজে প্রতিমাসে কয়েকশো থেকে কয়েক হাজার পর্যন্ত ডলার ইনকাম করতে পারবে। এজন্য আপনার একাউন্ট খোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি সঠিকভাবে একাউন্ট খুলতে পারেন তাহলে সহজেই এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে টাকা পেতে পারবেন।

বাংলাদেশ থেকে ডলার একাউন্ট খোলার নিয়ম

আমরা এখন জানবো বাংলাদেশ থেকে কিভাবে ডলার একাউন্ট খুলতে হয় সেই সম্পর্কে। আপনি যদি একজন বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন বা ফ্রিল্যান্সিং করার কথা ভাবছেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে কিভাবে বাংলাদেশ থেকে ডলার একাউন্ট খুলতে হয়। বর্তমান সময়ে আপনি বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে ডলার একাউন্ট খুলতে পারবেন। যার মাধ্যমে আপনি সহজেই ডলার রিসিভ করতে পারবেন। এই একাউন্ট কে বলা হয় ফরেন কারেন্সি একাউন্ট। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করে প্রতিনিয়ত ডলার রিসিভ করতে চান বা ডলার সংগ্রহ করে টাকাতে রূপান্তর করতে চান তাহলে ফরেন কারেন্সি অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে সহজেই করতে পারবেন। আপনার ডলার একাউন্ট খোলার জন্য পাসপোর্ট বাধ্যতামূলক থাকতে হবে। আপনার যদি পাসপোর্ট থেকে থাকে তাহলে এন আই ডি কার্ড এবং ছবি দেওয়ার মাধ্যমে একাউন্ট খুলতে পারবেন।
আড়ো পরুনঃ 
আপনি একাউন্ট খোলার জন্য ব্যাংকে গিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করবেন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলো জমা দিবেন। আপনার কাগজপত্র তথ্যগুলো অবশ্যই সঠিক হতে হবে। যদি তথ্যগুলো ভুল থাকে তাহলে আপনার অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন না। আপনার যদি ডলার একাউন্ট থাকে তাহলে অনেক সহজেই আন্তর্জাতিক সকল লেনদেন করতে পারবেন। এর সাথে আপনি ডলারগুলো ব্যাংকে জমা রাখতে পারবেন। ডলার জমা রাখার সুবিধা হল ডলারের দাম বৃদ্ধির সাথে সাথে আপনি ডলার বিক্রি করে দিতে পারবেন। বর্তমান সময় বাংলাদেশে কিছু ব্যাংক যারা ডলার একাউন্ট বা ফরেন কারেন্সি একাউন্ট খোলার ব্যবস্থা করেছেন। আপনি যদি একজন ভালো দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হন তাহলে আপনার ডোলারে একাউন্ট অবশ্যই প্রয়োজন হবে এবং এর সবচেয়ে সুবিধা হলো আন্তর্জাতিক সকল ধরনের লেনদেন করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং আয়ের টাকা ব্যাংকে আনার নিয়ম

আমরা এখন জানবো কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং আরে টাকা ব্যাংকে আনতে হয়। আপনি যদি একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং আয়ের টাকা ব্যাংকে আনার নিয়ম জানতে হবে। আপনার ফ্রিল্যান্সিং থেকে ব্যাংকে টাকা আনার জন্য অবশ্যই একটি আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ব্যবস্থা  থাকতে হবে। আপনার ডলার আন্তর্জাতিক পেমেন্ট পাওয়ার জন্য আপনাকে Payoneer বা Wise তে একাউন্ট খুলে আপনার ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করতে হবে।

আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে প্রথমে যে ডলারগুলো পাবেন সেগুলো প্রথমে Payoneer বা Wise একাউন্টে জমা হবে। আপনি যখন ডলারগুলো টাকায় কনভার্ট করবেন তখন প্রথমে আপনাকে Withdraw অপশনে গিয়ে আপনার ব্যাংক একাউন্ট সিলেক্ট করতে হবে। আপনার সকল কার্যক্রম সম্পূর্ণ হলে, দুই থেকে পাঁচ কর্ম দিবসের মধ্যে আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকা জমা হয়ে যাবে। আপনার টাকা ব্যাংক একাউন্টে জমা হওয়ার সাথে সাথে আপনার ফোন নাম্বারে এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দিবে বা একটি নোটিফিকেশন আসবে।

ডলার রিসিভ করার জন্য কোন ব্যাংক ভালো

আমরা এখন জানবো ডলার রিসিভ করার জন্য কোন ব্যাংক সবচেয়ে ভালো হবে সেই বিষয়ে। আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকে তাহলে আপনার অবশ্যই জানতে হবে ডলার রিসিভ করার জন্য কোন ব্যাংক আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে। বাংলাদেশের বর্তমানে অনেক গুলো  ব্যাংক রয়েছে যারা ফ্রিল্যান্সারদের অনেক সুযোগ সুবিধা প্রদান করে আসছে। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডোরাল লেনদেনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যাংকগুলো হলো ইসলামী ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং ইস্টার্ন ব্যাংক। এইসব ব্যাংক ব্যবহার করে আপনি অনেক সহজে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে ডলার লেনদেন করতে পারবেন এবং জমা রেখে টাকায় কনভার্ট করতে পারবেন।

আর এই ব্যাংকগুলোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো অন্য ব্যাংকের থেকে চার্জ তুলনামূল কম নিয়ে থাকে। ব্যাংক নির্বাচনের আগে আপনাকে অবশ্যই কিছু জিনিস পর্যবেক্ষণ করে দেখতে হবে বা ব্যাংকের মধ্যে তুলনা করে দেখতে হবে। যে বিষয়গুলো দেখতে হবে হলো কত দ্রুত টাকা লেনদেন করা যায়, চার্জ কত টাকা হয়, অনলাইন ব্যাংকিং সুবিধা আছে কিনা এবং কাস্টমার সার্ভিস কেমন সকল বিষয়ে ভালো হবে জানতে হবে। বর্তমানে অনেক ব্যাংক ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডেবিট কার্ড এবং অনলাইন লেনদেন সুবিধা দিয়ে থাকে সে বিয়ে সব বিষয় জেনে নিতে হবে। সকল বিষয়ে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করার পরে আপনাকে একটি ব্যাংক নির্বাচন করতে হবে।

ফাইভার আয়ের টাকা উত্তোলনের পদ্ধতি

আমরা এখন জানবো কিভাবে ফাইভার থেকে টাকা উত্তোলন করতে হয় এবং কি কি পদ্ধতি ফলো করতে হয় সকল বিষয়। বর্তমান সময়ে ফাইভার একটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম। যেখানে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অনেক ফ্রিল্যান্সার বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করে ডলার আয় করছেন। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে চান তাহলে তাহলে ফাইভার এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করে ডলার আয় করতে পারবেন। আপনি কোন ধরনের কাজ করতে পারবেন ফাইভারের মাধ্যমে সেগুলো হলো গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, এসিও, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, আর্টিকেল রাইটিং, কনটেন্ট রাইটিং ইত্যাদি সহ আরো অসংখ্য কাজ করতে পারবে।

ফাইভারের মাধ্যমে এসব কাজ করে আপনি সহজেই ডলার আয় করতে পারবেন। সেজন্য আপনাকে একটি নির্দিষ্ট কাজের উপর দক্ষ হতে হবে। আপনি ফাইভার থেকে ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer ব্যবহার করতে পারেন। কারণ ফাইভার থেকে Payoneer এর মাধ্যমে অনেক দ্রুত এবং সহজে ডলার উত্তোলন করা যায়। ফাইভার থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য প্রথমে আপনাকে ফাইভারে গিয়ে অ্যাকাউন্ট লগইন করে “Earnings” এই অপশনে যেতে হবে। তারপরে আপনাকে “Payment Methods” থেকে  Payoneer এর অপশন যুক্ত করতে হবে। Payoneer যুক্ত করার সময় আপনার সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।
আড়ো পরুনঃ 
এরপরে আপনি একাউন্ট খোলা সম্পূর্ণ হলে ফাইভার থেকে ডলার উত্তোলন করতে পারবেন। ফাইভারের কাজ শেষ হওয়ার একটি নির্দিষ্ট সময় শেষে আপনাকে টাকা উত্তোলনের জন্য ক্লিয়ারেন্স দিবে। আপনার টাকা Withdraw দেওয়ার পরে কয়েক ঘন্টা বা একদিন সময় নিতে পারে Payoneer এর একাউন্টে জমা হওয়ার জন্য। আপনার টাকা Payoneer অপশনে জমা হওয়ার পরে আপনি আপনার ব্যাংক একাউন্ট অ্যাড করে টাকা ট্রান্সফার করে পারবেন। আপনার টাকা ব্যাংকে ট্রান্সফার হয়ে গেলে আপনি যে কোন সময় ব্যাংক থেকে বা ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য কোন একাউন্ট ভালো?

আমরা এখন জানবো ফ্রিল্যান্সারদের জন্য কোন একাউন্ট খুললে সবচেয়ে ভালো হবে। আপনি যদি একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হন বা ফ্রিল্যান্সার হন আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে কোন একাউন্ট খুললে আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে এবং সকল সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। আপনার একাউন্ট নির্বাচন করতে হবে আপনি কোন ধরনের কাজ করেন বা কোন প্লাটফর্মে কাজ করতে চান , কত ডলার লেনদেন করতে চান বা কিভাবে টাকা তুলতে চান তার উপর নির্ভর করে। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সাররা অনেক ধরনের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে থাকে সকল একাউন্টের সুযোগ সুবিধা এবং লেনদেনের পদ্ধতি আলাদা,তাই আপনার একাউন্ট খোলার আগে অবশ্যই সকল বিষয় ভালোভাবে জেনে নিতে হবে।

Payoneer বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সদের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয়। আপনি যদি ভাইভার আপন এবং ফ্রিল্যান্সার ডট কম এ কাজ করে ডলার রিসিভ করতে চান তাহলে আপনি Payoneer একাউন্ট ব্যবহার করতে পারেন। Payoneer একাউন্ট ব্যবহার করে আপনি বাংলাদেশ সেই ব্যাংকে দ্রুত টাকা আনতে পারবেন এবং সকল সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। আপনি যদি কম চার্জে টাকা ট্রান্সফার করতে চান তাহলে Wise ব্যবহার করতে পারেন। Wise এটি ব্যবহার করে আপনি সহজে এবং সরাসরি বিদেশি লাইন দের সাথে কাজ করতে পারবেন এবং সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। আপনি যদি দ্রুত অনলাইন পেমেন্ট করতে চান তাহলে আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হচ্ছে Skrill এর একাউন্ট ব্যবহার করা। এছাড়া আপনি ফরেন কারেন্সি  একাউন্ট ব্যবহার করে সহজেই ডলার রিসিভ করতে পারবে। 

মাস্টারকার্ডসহ ডলার একাউন্ট খোলার নিয়ম

এখন জানবো মাস্টার কার্ড ব্যবহার করে একাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে। আপনি যদি একজন প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার যদি একটি মাস্টার কার্ড ডলার একাউন্ট থাকে তাহলে অনেক সুবিধা পেয়ে থাকবেন। আপনার যদি একটি আন্তর্জাতিক মানের মাস্টার কার্ড একাউন্ট থাকে তাহলে এটিএম বুধ এর মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন এবং সকল ধরনের অনলাইন পেমেন্ট করতে পারবেন। আপনি যদি পেওনিয়ার একাউন্ট ব্যবহার করে থাকেন তাহলে সহজেই মাস্টার কার্ড অ্যাড করতে পারবেন।

আপনার একাউন্টে আবেদন করার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অনুমতি পেয়ে যাবেন এবং কার্ড ব্যবহারকারী ঠিকানা পৌঁছে যাবে। এরপরে আপনি কার্ড ব্যবহার করে সহজে বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। এছাড়া আপনি অনলাইন শপিং , সফটওয়্যার কিনা , facebook apps এর বিল পরিশোধ পরিশ কার্ডের মাধ্যমে । আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং , ভিডিও এডিটিং এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ের কাজে পড়ার জন্য মাস্টার কার্ড একাউন্ট ব্যবহার করতে পারবেন মাস্টার কার্ড ব্যবহার করে আপনি আন্তর্জাতিক লেনদেনসহ সকল দ্রুত পেমেন্ট ব্যবহার করতে পারবেন।

ডলার রেট বেশি পাওয়ার উপায়

আমরা এখন জানবো কিভাবে ডলার রেট বেশি পাওয়া যায়। আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন তাহলে ডলার আয়ের করে শুধু টাকা উপার্জন করাই নয়, ডলার ভাঙ্গানোর সময় ভালো রেট পাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভালো রেড পাওয়ার জন্য আপনাকে কিছু মাধ্যম ফলো করতে হবে সেগুলো নিয়ে আমরা বিস্তারিত জানব। আপনি একই রকম ডলার ভেঙ্গে বিভিন্ন ব্যাংকে বিভিন্ন রকমের রেট পাবেন এজন্য ডলার ভাঙ্গা আগে কয়েকটি ব্যাংক যাচাই করে দেখতে হবে। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করে ডলার পাওয়ার সাথে সাথে ডলার ভেঙে ফেলেন তাহলে অনেক সময় ভালো রেট নাও পেতে পারেন, সেজন্য ভালো রে পাওয়ার জন্য ডলার না ভেঙ্গে আগে ডলারের রেট যাচাই করে দেখে নিতে হবে।
আড়ো পরুনঃ 
আপনার ডলারের বৃদ্ধি বা কম হওয়ার সাথে আপনার টাকাও কম বেশি হয়ে থাকবে। আপনার ডলার রেট বেশি পাওয়ার জন্য এমন ব্যাংক নির্বাচন করতে হবে যে ব্যাংকগুলোতে ডলার রেট সব সময় বেশি পাওয়া যায় এবং সুযোগ-সুবিধা বেশি থাকে এমন ধরনের ব্যাঙ নির্বাচন করতে হবে। আপনি যদি ডলার সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে গ্রহণ করতে পারেন তাহলে  তুলনামূলক ভালো রেট পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এজন্য ডলার ভাঙ্গানোর আগে সকল বিষয় যা যায় বাছাই করে তারপরে ডলার ভাঙতে হবে, তাহলে আপনি ভালো ডলার রেট পেয়ে থাকবেন।

শেষ কথাঃ ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার একাউন্ট খোলার পদ্ধতি

আমরা আজকে এই পোষ্টের মধ্যে জেনেছি কিভাবে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করা একাউন্ট খুলতে হয়। আমরা আরো জেনেছি কোন ধরনের অ্যাকাউন্ট ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সবচেয়ে ভালো হবে এবং বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য কোন ধরনের ব্যাংকে সুযোগ-সুবিধা বেশি দিবে সকল বিষয়ে বিস্তারিত জেনেছি। আপনি যদি পুরো পোস্টটি ভালভাবে করে থাকেন তাহলে অবশ্যই সকল বিষয়ে বুঝতে পেরেছেন। পোস্টটি পড়ে যদি কোন বিষয় বুঝতে না পারেন বা কোন সমস্যা হলে কমেন্টের মাধ্যমে আপনার মন্তব্যটি অবশ্যই জানাবেন।

প্রিয় পাঠক পোস্টটি পড়ে যদি আপনার কাছে ভালো লেগে থাকে,তাহলে অবশ্যই আপনার মূল্যবান মন্তব্যটি আমাদের সঙ্গে শেয়ার করবেন। পোস্টটি আপনার ফ্রিল্যান্সার বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করবেন।আপনি যদি এমন আরো পোস্ট করতে চান বা তথ্য মূলক পোস্ট করতে চান তাহলে ইনকোরা বিডিকে ফলো করে সাথে থাকুন। প্রিয় পাঠক পোস্টটি শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আজকের মত এখানেই শেষ করছি ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন! আল্লাহ হাফেজ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ইনকোরা বিডিতে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url