বাংলাদেশের পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণের নিয়ম
আমরা আজকের পোস্টটিতে জানবো কিভাবে
বাংলাদেশের পাসপোর্ট অনলাইনে আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হয়। আমরা জানবো আবেদন করতে কি
কি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগবে এবং আপনি কিভাবে আবেদনের ফ্রি অনলাইনে মাধ্যমে জমা
দিবেন।
আমরা আরো জানবো আবেদন শেষে আপনি পাসপোর্ট অফিসে কি কি কাগজপত্র জমা দিবেন।
আপনার পাসপোর্ট এর মেয়াদ কতদিন হবে এবং আবেদন করতে কত টাকা খরচ হবে সকল
বিষয়ে বিস্তারিত জানবো এই একটি পোস্টটির মাধ্যমে।
সূচিপত্রঃ বাংলাদেশের পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণের নিয়ম
- বাংলাদেশের পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণের নিয়ম
- নতুন পাসপোর্ট করতে কি কি কাগজপত্র লাগে
- মোবাইল দিয়ে ই-পাসপোর্ট আবেদন করার সহজ উপায়
- ১৮ বছরের নিচে শিশুদের পাসপোর্ট করার নিয়ম
- বিবাহিতদের পাসপোর্ট করতে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ডকুমেন্ট
- নতুন আবেদনে পুরাতন পাসপোর্ট যুক্ত করার নিয়ম
- পাসপোর্টের আবেদন সাবমিট করার আগে করনীয়
- পেশা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সঠিকভাবে লেখার নিয়ম
- পুলিশ ভেরিফিকেশন ও পাসপোর্ট প্রসেসিং
- ই-পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে নবায়ন করার নিয়ম
- ই-পাসপোর্ট আবেদন বাতিল হওয়ার প্রধান কারণগুলো
- শেষ কথা: বাংলাদেশের পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণের নিয়ম
বাংলাদেশের পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণের নিয়ম
আমরা এখন জানব পাসপোর্ট অফিসে না গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে কিভাবে পাসপোর্ট এর
ফর্ম পূরণ করতে হয়। আপনি যদি অনলাইনের ঘরে বসে আপনার স্মার্টফোন বা
কম্পিউটারের মাধ্যমে পাসপোর্ট এর আবেদন ফর্ম পূরণ করতে চান তাহলে
পোস্টটি ভালোভাবে পড়ুন। এখন আমরা ফর্ম পূরণের প্রতিটা ধাপ বিস্তারিত আলোচনা
করব। আবেদন ফরম পূরণের জন্য প্রথমে আপনাকে গুগল ক্রোম ব্রাউজারে গিয়ে
www.epassport.gov.bd লিখে সার্চ দিয়ে ই-পাসপোর্ট পোর্টালে যেতে হবে।
ই-পাসপোর্ট পোর্টালে যাওয়ার পরে প্রথমে আমাদের রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ করতে হবে।
রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়ার পরে আমাদেরকে লগ ইন অপশনে গিয়ে অ্যাকাউন্ট
লগইন করতে হবে। লগইন করার পরে আমাদের সামনে যে পেজটি ক্রিয়েট হবে সেখান
থেকে আমাদের নতুন, পুরাতন এমনকি আমাদের পরিবারের সকলের জন্য পাসপোর্ট আবেদন
করতে পারব একটি অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে। আপনি যদি আপনার জন্য নতুন পাসপোর্ট
বা আপনার পরিবারের কারো জন্য পাসপোর্টের আবেদন করতে চান তাহলে "Appply for a new
e-Passport" এই অপশনে ক্লিক করতে হবে।
"Appply for a new e-Passport" এই অপশনে ক্লিক করার পরে আমাদের সামনে
পাসপোর্ট টাইপ নামে একটি নতুন পেজ ক্রিয়েট হবে এখানে গিয়ে আমাদের পাসপোর্ট
এর ধরন সিলেট করতে হবে। আপনি কোন ধরনের পাসপোর্ট ক্রিয়েট করতে চান তা এখান
থেকে সিলেট করতে হবে। যদি অর্ডিনারি পাসপোর্ট প্রয়োজন হয় তাহলে অর্ডিনারি
পাসপোর্ট সিলেক্ট করতে হবে আর আপনার যদি অফিসিয়াল পাসপোর্ট প্রয়োজন হয় তাহলে
আপনাকে অফিশিয়াল পাসপোর্ট সিলেট করতে হবে। আপনি যদি একজন সাধারন মানুষ হয়ে
থাকেন তাহলে আপনার জন্য অর্ডিনারি পাসপোর্ট সিলেট করতে হবে।
অর্ডিনারি পাসপোর্ট সিলেক্ট করার পরে আপনাকে save and continue শুনে চাপ
দিয়ে প্রফেশনাল ইন্সট্রাকশন পেজে যেতে হবে। প্রফেশনাল ইন্সট্রাকশন
পেজে গিয়ে প্রথমে আপনাকে I appply for myself শুনে অপশনে টিক চিহ্ন
দিতে হবে। আপনি যদি আপনার নিজের জন্য অ্যাকাউন্ট না খুলে থাকেন তাহলে আই
এপ্লাই ফরমাই মাইসেল্ফ এই অপশনে টিক চিহ্ন দিতে হবে না। আপনি যদি
আপনার নিজের জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে থাকেন তাহলে টিকচিহ্ন দিতে হবে। এরপরে
আপনার জেন্ডার সিলেক্ট করতে হবে, আপনি যদি আপনার নিজের নামে একাউন্ট রেজিস্টার
করে থাকেন তাহলে আপনার নাম শো করবে। আপনার সকল তথ্য গুলো ভালোভাবে পূরণ
করতে হবে।
সকল তথ্য ভালোভাবে পূরণ করা হয়ে গেলে সেম এন্ড কন্টিনিউ অপশনে ক্লিক
করে অ্যাড্রেস পেজে যেতে হবে। এড্রেস পেজে
গিয়ে আপনাকে সিলেট ডিস্ট্রিক্ট অপশনে ক্লিক করে আপনার হোম ডিস্ট্রিক্ট
সিলেক্ট করতে হবে এরপরে সিটি বা ভিলেজের নাম দিতে হবে এবং পোস্ট অফিস সিলেট করতে
হবে সাথে পোস্ট কোড দিতে হবে। পরে আপনাকে পুলিশ স্টেশন সিলেট করতে হবে।
আপনার পার্মানেন্ট অ্যাড্রেসের সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করা হয়ে গেলে এরপরে
আপনাকে প্রেজেন্ট অ্যাড্রেসের অপশনে যেতে হবে। প্রেজেন্ট অ্যাড্রেস এর অপশনে
গিয়ে সেমভাবে আপনার সকল তথ্যগুলো পূরণ করতে হবে। আপনার পার্মানেন্ট
অ্যাড্রেস এবং প্রেজেন্ট অ্যাড্রেস একই হয় তাহলে Prement address is the
seme as permenent অপশনে টিক চিহ্ন দিলেই হয়ে যাবে, তাহলে নতুন করে আর কোনো
তথ্য পূরণ করতে হবে না।
সকল তথ্য আপনার সঠিকভাবে পূরণ করার পরে রিজনাল পাসপোর্ট অফিস (RPO)
সিলেক্ট করতে হবে। রিজনাল পাসপোর্ট অফিস সিলেট করার পরে আপনি আরেকবার ভালো
করে আপনার সকল তথ্যগুলো দেখে নিবেন তারপরে সেভ এন্ড কন্টিনিউ অপশনে ক্লিক
করে আইডি ডকুমেন্ট পেজে যাবেন। ডকুমেন্ট পেজে যাওয়ার
পরে এখানে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড নাম্বার দিতে হবে যদি ন্যাশনাল
আইডি কার্ড নাম্বার ভেরিফাই করে সঠিক হয় তাহলে পাশে সবুজ টিক চিহ্ন দিয়ে লেখা
উঠবে ডেটা ফাউন্ড ইজ এন আই ডি সিস্টেম । আপনার এনআইডি কার্ড ভেরিফাই যদি
কোন কারণে করতে সমস্যা হয় তাহলে ডাটা নট ফাউন্ড ইজ এনইডি সিস্টেম লিক উঠবে।
|
| ১ নাম্বার ২নাম্বার ৩নাম্বার |
কার্ডের নাম্বার ভেরিফাই হওয়ার পরে নিচে লেখা থাকবে Do you have any previous
passports? মানে হল আপনার এর আগে কোন পাসপোর্ট আছে কিনা , আপনার যদি কোন এমআরপি
পাসপোর্ট থেকে থাকে তাহলে প্রথমটায় টিক চিহ্ন দিবেন অথবা ইলেকট্রনিক্স
পাসপোর্ট থেকে থাকে তাহলে দুই নাম্বারে টিক চিহ্ন দিবেন আর যদি কোন
পাসপোর্টে না থেকে থাকে তাহলে তৃতীয় নাম্বারে ঠিক চিহ্ন দিবেন। আপনার
যদি বাহিরের কোন দেশের পাসপোর্ট থেকে থাকে তাহলে " Yes,I have another
passport" অপশনে সিলেক্ট করবেন আর যদি কোন পাসপোর্ট না থাকে তাহলে "No,I
don't have" অপশনে সিলেক্ট করবেন।
অপশন সিলেক্ট করার পরে সেভ এন্ড কন্টিনিউ তে যাবেন যাওয়ার পরে পার্সোনাল
ইনফরমেশন অপশনে গিয়ে আপনার পিতা-মাতার সকল
ইনফরমেশন দিবেন। এরপরে আপনাকে স্পোর্টস ইনফর্মেশন দিতে হবে উপরে
যদি বিবাহিত হন তাহলে মেরির অপশন সিলেক্ট করবেন আর যদি অবিবাহিত হন তাহলে
সিঙ্গেল অপশন সিলেক্ট করবেন। সিলেক্ট করা হয়ে গেলে নিচে গিয়ে সেফ এন্ড
কন্টিনিউ করবেন। এরপরে আপনাকে ইমার্জেন্সি কন্টাক্ট অপশনে গিয়ে যে
কোন একজনকে সিলেট করতে হবে। এই অপশনটা সিলেক্ট করা অত্যন্ত জরুরী কারণ আপনি
বিদেশে কোন কাজে বা ভ্রমণের গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে কন্টাক্ট ইনফরমেশন এ
নাম্বারে যোগাযোগ করে আপনার সকল তথ্য জানানো হবে।
ইমারজেন্সি কন্টাক্ট অপশন সিলেক্ট করার পরে সেভ এন্ড কন্টিনিউ দিবেন। এরপরে
পাসপোর্ট অপশন সিলেক্ট করতে হবে আপনি কেমন ধরনের পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন
করতে চান তা সিলেট করে নিতে হবে এখানে আপনার পাসপোর্ট এর পেজ নাম্বার এবং কত বছরে
জন্য পাসপোর্ট করতে যাচ্ছেন তা সিলেট করতে হবে। পাসপোর্ট অপশন সিলেক্ট করা হয়ে
গেলে আবার সেভ এন্ড কন্টিনিউ করতে হবে। পরে আপনাকে ডেলিভারি অপশন সিলেক্ট
করতে হবে আপনি কত দিনের মধ্যে পাসপোর্টটি পেতে যাচ্ছেন সেটা নির্বাচন করতে
হবে। আপনি যদি রেগুলার ডেলিভারি অপশন সিলেক্ট করেন তাহলে ২১ কার্যদিবসের
মধ্যে পাসপোর্টটি হাতে পাবেন আর যদি এক্সট্রা ডেলিভারি অপশন সিলেক্ট করেন তাহলে
৭-কার্য দিবসের মধ্যে পাসপোর্টটি হাতে পাবে এবং সুপার এক্সট্রা ডেলিভারিতে যদি
সিলেক্ট করেন তাহলে ২ কার্যদিবসের মধ্যে পাসপোর্টটি হাতে পাবে। আপনার
পাসপোর্ট এর ধরন এবং ডেলিভারির উপর নির্ভর করে টাকা কম বেশি লাগবে।
আপনার সকল কার্যক্রম সম্পূর্ণ হওয়ার পরে আরেকবার ভালো করে চেক
দিয়ে নিবেন, সবগুলো ভালো করে চেক দেন হয়ে গেলে Declaration of
consent জন্য দিয়ে কনফার্ম এন্ড পজিট টু প্লেইড অপশনে সিলেক্ট
করবে। প্রেমের অপশনে গিয়ে কোন মাধ্যমে পেমেন্ট দিতে চান সেটি
সিলেক্ট করবেন যদি অনলাইনের মাধ্যমে পেমেন্ট দিতে চান তাহলে অনলাইন অপশন
সিলেক্ট করবেন এবং অফলাইনের মাধ্যমে যদি পেমেন্ট দিতে চান তাহলে অফলাইন অপশন
সিলেক্ট করবেন। আপনার জন্য অফলাইন অপশন সিলেক্ট করা সবচেয়ে ভালো হবে
কারণ ফরম পূরণের সময় যদি কোন ভুল হয়ে থাকে তাহলে অফলাইন পেমেন্টের সময়
আরেকবার চেক করে তারপরে পেমেন্ট করতে পারবে, কিন্তু যদি অনলাইন পেমেন্ট করেন
তাহলে পেমেন্টের টাকা আর ফিরে পাবেন না। তাই সবসময় অফলাইন
পেমেন্ট অপশনে সিলেক্ট করে পেমেন্ট করবে।
আপনি অফলাইন পেমেন্ট অপশন সিলেক্ট করার পরে কন্টিনিউ করবেন। করার সাথে সাথে
আপনার ফর্ম পূরণটি সম্পূর্ণ হবে । ফরম পূরণ করার পরে প্রিন্ট সামারি এবং
ডাউনলোড অ্যাপ্লিকেশন ফ্রম ফর এন্টিং অপশনে গিয়ে তিন পেজের
পিডিএফ গুলো ফটোকপি করে নিবেন। পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার সময় ফটোকপি
গুলো সাথে নিয়ে যাবেন এবং এর সাথে আপনার এনআইডি কার্ডের ফটোকপিও নিয়ে যাবে।নতুন পাসপোর্ট করতে কি কি কাগজপত্র লাগে
আমরা এখন জানবো নতুন পাসপোর্ট করতে কি কি কাগজপত্র লাগে। আপনি নতুন পাসপোর্ট
করতে চাইলে সর্বপ্রথম আপনার সঠিক এবং বৈধক কাগজপত্র লাগবে। আপনার বয়স যদি ১৮
বছরের উপরে হয়ে থাকে তাহলে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র বা এনআইডি স্মার্ট কার্ড
লাগবে।আপনার বয়স যদি ১৮ বছরের নিচে হয়ে থাকে তাহলে, আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ
লাগবে এবং সেটি ইংলিশে অনুবাদ সহ অনলাইনে যাচাই যোগ্য হতে হবে। এছাড়া আপনার
বর্তমান ঠিকানা প্রমাণ করার জন্য বিদ্যুৎ বিলের কাগজ, পানি বিলের কাগজ লাগবে।
আপনার নাগরিত্ব প্রমাণ করার জন্য নাগরিক সনদ লাগবে। আপনার নাগরিক সনদটি ইউনিয়ন
পরিষদ বা সিটি কর্পোরেশন থেকে নিতে হবে।
আড়ো পরুনঃ
আপনি যদি একজন স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে আপনার স্কুল এবং কলেজের আইডি কার্ড
লাগবে। আপনি যদি বিবাহিত হয়ে থাকেন তাহলে তো আপনার বিবাহিত সনদ লাগবে। আপনার
যদি পুরাতন পাসপোর্ট থেকে থাকে তাহলে পুরাতন পাসপোর্ট এর ফটোকপি বা মূল
পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। আপনি যে কাগজপত্রগুলো জমা দিবেন সেগুলোর সকল তথ্য যেমন
নাম, ঠিকানা, বয়স, বর্তমান ঠিকানা, থাই ঠিকানা সকল কিছু একই রকম থাকতে হবে এবং
সঠিক থাকতে হবে। যদি সকল কাগজপত্র তথ্য একই রকম না থাকে তাহলে আবেদনটি বাতিল
হয়ে যেতে পারে বা আবেদনটি করতে অনেক সমস্যা হতে পারে। তাই সকল তথ্য এবং
কাগজপত্র সঠিক দিতে হবে।
মোবাইল দিয়ে ই-পাসপোর্ট আবেদন করার সহজ উপায়
আমরা এখন জানবো কিভাবে মোবাইল দিয়ে ই-পাসপোর্ট আবেদন করতে হয়। আপনি যদি
মোবাইল দিয়ে ই-পাসপোর্ট এর আবেদন করতে চান তাহলে পোস্টটি মন দিয়ে পড়ুন। আপনি
আপনার স্মার্ট ফোন দিয়ে ঘরে বসে সহজে ই-পাসপোর্ট এর আবেদন করতে পারবেন।আবেদন
করার জন্য প্রথমে আপনার ফোন থেকে গুগল ক্রোম ব্রাউজারে গিয়ে ই-পাসপোর্ট এর
সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন প্রথমে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।
একাউন্ট খোলার জন্য আপনার ফোন নাম্বার এবং ইমেইল নাম্বার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন
করতে হবে। আপনার রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলে জিমেইলে একটি ভেরিফিকেশন লিংক যাবে
লিংকে প্রবেশ করে একাউন্টটি এক্টিভ করতে হবে। আপনার অ্যাকাউন্টটি খোলা সম্পূর্ণ
হলে পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে হবে।
আপনার আবেদন ফরমটি পূরণ করার জন্য আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, পিতামাতা তথ্য,
বর্তমান ঠিকানা,থাই ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন হবে। আপনার সকল তথ্যগুলো
অবশ্যই জাতীয় পরিচয় পত্র বা জন্ম নিবন্ধনের সাথে মিল থাকতে হবে। এর পরে আপনার
পাসপোর্ট এর ধরন, পাসপোর্ট এর সময়কাল এবং পাসপোর্ট এর ডেলিভারি দেয়ার সময়
সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। আপনার সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করার পরে অনলাইনের
মাধ্যমে ফ্রি পরিশোধ করতে হবে। আপনি ফ্রি পরিশোধের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং,কার্ড
বা ব্যাংক এর মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন। আপনার ফ্রি প্রদানের সাথে সাথে আবেদনটি
সম্পূর্ণ হবে। সম্পূর্ণ হওয়ার পরে অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম এবং এ্যাপার্ট্মেন্ট শীট
প্রিন্ট করে নিয়ে সময়ে পাসওয়ার্ড অফিসে গিয়ে জমা দিতে হবে। সকল কাগজপত্র
জমা দেওয়া হয়ে গেলে নির্দিষ্ট কার্য দিবসের মধ্যে আপনি আপনার পাসপোর্টটি
পেয়ে যাবেন।
১৮ বছরের নিচে শিশুদের পাসপোর্ট করার নিয়ম
আমরা এখন জানবো ১৮ বছরের নিচে শিশুদের পাসপোর্ট এর আবেদন করার জন্য কি কি নিয়ম
রয়েছে সেই বিষয়। আপনার বয়স যদি ১৮ বছর নিচে হয়ে থাকে এবং পাসপোর্ট করতে চান
তাহলে পোস্টটি ভালোভাবে পড়ুন। আপনার বয়স যদি ১৮ বছর নিচে হয়ে থাকে তাহলে
পাসপোর্ট এর আবেদন করার সময় তুলনামূলক একটু বেশি সতর্ক হতে হবে। আপনার
পাসপোর্ট এর আবেদন করার জন্য জন্ম নিবন্ধন কার্ড প্রয়োজন হবে।আপনার জন্ম
নিবন্ধন কার্ডটি অবশ্যই ইংরেজি এবং অনলাইনে যাচাইযোগ্য হতে হবে।
আপনার বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি প্রয়োজন হবে। আবেদন করার সময়
অবশ্যই আপনার অভিভাবকের তথ্যগুলো সঠিক দিতে হবে। আপনাকে পাসওয়ার্ড অফিসে গিয়ে
ছবি তুলতে হবে এবং বায়োমেট্রিক দিতে হবে। আপনি যদি স্কুল বা কলেজে পড়ে থাকেন
তাহলে স্টুডেন্ট কার্ড জমা দিতে হবে। আপনার সকল তথ্যগুলো অবশ্যই জন্ম নিবন্ধন
কার্ডের সাথে মিল থাকতে হবে তাহলে আপনার আবেদনটি সঠিকভাবে সম্পূর্ণ হবে।
বিবাহিতদের পাসপোর্ট করতে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ডকুমেন্ট
আমরা এখন জানবো বিবাহিতদের পাসপোর্ট করতে প্রয়োজনীয় কি কি তথ্য বা ডকুমেন্ট
লাগে। আপনি যদি বিবাহিত হন তাহলে ফর্ম পূরণের সময় অবশ্যই আপনার মেরিড
স্ট্যাটাস "মেরিড" দিতে হবে। আপনি যদি একজন পুরুষ হয়ে
থাকেন তাহলে আপনার স্ত্রীর নাম সঠিকভাবে দিতে হবে আর আপনি যদি একজন
মহিলা হয়ে থাকেন তাহলে আপনার স্বামীর নাম সঠিকভাবে দিতে হবে। স্ত্রীর নাম
গুলো অবশ্যই জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম অনুযায়ী দিতে হবে, যদি কোন কারণে নামের
মিল না থাকে তাহলে পরবর্তীতে অনেক সমস্যা হতে পারে।
আড়ো পরুনঃ
যদি আপনার ঠিকানা পরিবর্তন বা আইনি কোন জটিলতা থেকে থাকে তাহলে আপনার
বিবাহ সনদ জমা দিতে হবে। স্বামী বা স্ত্রীর তথ্যের মধ্যে যদি
কোন ভুল থেকে থাকে তাহলে পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় অনেক সমস্যা দেখা
দিবে। আপনি যদি বিবাহের পর নাম পরিবর্তন করে থাকেন তাহলে অবশ্যই
আবেদনের আগে এনআইডি কার্ড আপডেট করে নিতে হবে যদি ঠিকানা পারিবারিক তথ্য সকল
কিছু মিল না থাকে তাহলে আবেদন দীর্ঘ সময় আটকে থাকবে এবং পাসপোর্ট পেতে দেরি
হবে এমনকি পাসপোর্ট নাও পেতে পারেন।
নতুন আবেদনে পুরাতন পাসপোর্ট যুক্ত করার নিয়ম
আমরা এখন জানবো নতুন আবেদনে পুরাতন পাসপোর্ট এর তথ্য কিভাবে যুক্ত করতে
হয়। আপনার যদি পুরাতন পাসপোর্ট থেকে থাকে তাহলে কিভাবে নতুন আবেদন যুক্ত
করবেন এবং কি কি পদক্ষেপ ফলো করবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। আপনার
যদি এমআরপি বা পুরাতন কোন পাসপোর্ট থেকে থাকে তাহলে আবেদনের সময় প্রিভিয়াস
পাসপোর্ট ইনফরমেশন অংশটি আপনার জন্য অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। আপনাকে প্রিভিয়ার্স পাসপোর্ট ইনফরমেশন অংশটিতে আপনার
পুরাতন পাসপোর্ট এর নম্বর, ইসুর তারিখ এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ সঠিকভাবে
পূরণ করতে হবে।
আপনার পাসপোর্টটি যদি কোন কারণে হারিয়ে যায় বা কোন সমস্যা হয় তাহলে থানা
একটি জিডি করে জিডি কপি জমা দিতে হবে নতুন আবেদনের সাথে। আপনি যদি নতুন
আবেদনের সময় পুরাতন কোন তথ্য ভুল দিয়ে থাকেন বা নতুন আবেদনের সাথে
পুরাতন পাসপোর্ট এর তথ্য অমিল পেলে আবেদন করতে সমস্যা হবে। আপনি
যদি পাসপোর্ট রিনিউ বা রিপ্লেসমেন্ট এর জন্য আবেদন করেন তাহলে আগের তথ্য সাথে
নতুন আবেদনের তথ্য মিল থাকতে হবে তাহলে আবেদনটি অনেক দ্রুত গ্রহণ হবে এবং
পাসপোর্ট পেতে সময় কম লাগবে।
পাসপোর্টের আবেদন সাবমিট করার আগে করনীয়
আমরা এখন জানবো পাসপোর্ট এর আবেদন সাবমিট করার আগে করণীয় বা যেসব ভুল এড়িয়ে
চলবেন। পাসপোর্ট এর আবেদন সাবমিট করার আগে আপনাকে অবশ্যই প্রতিটি তথ্য খুব
ভালো করে যাচাই করে নিতে হবে। আপনার আবেদন সাবমিট করার আগে অবশ্যই আপনার
নামের বানান, জন্ম তারিখ , এনআইডি নাম্বার , ঠিকানা , মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল
নাম্বার ভালোভাবে মিলিয়ে নিবেন। অনেক দ্রুত আবেদন শেষ করার
জন্য আপনারা তথ্য ভুল দিয়ে ফেলেন।
আপনাদের এ তথ্যগুলো ভুল দেয়ার জন্য অনেক সময় আবেদন বাতিল হয়ে যায় বা দীর্ঘ
সময় ধরে আবেদন আটকে থাকে। পাসপোর্ট এর আবেদন একবার সাবমিট করা হয়ে
গেলে অনেক তথ্য আছে যেগুলো আর পরিবর্তন করা যায় না তাই আবেদন সাবমিট করার আগে
ভালোভাবে চেক করে নেওয়া এবং সতর্ক থাকা অনেক প্রয়োজন। সেই জন্য
আবেদন করার সময় আমাদের মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে এবং প্রয়োজন হলে অন্য কাউকে
দিয়ে একবার সকল তথ্যগুলো মিলিয়ে নিতে হবে তাহলে আবেদনের সময় আর কোন ভুল হবে
না।
পেশা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সঠিকভাবে লেখার নিয়ম
আমরা এখন জানবো পাসপোর্টে কি ভাবে পেশা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সঠিকভাবে লিখতে
হয়। পাসপোর্ট এর ফর্ম পূরণের সময় পেশা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সঠিকভাবে পূরণ
করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার পেশা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণের সময়
আপনার বর্তমান তথ্য অনুযায়ী পূরণ করতে হবে। আপনি যদি একজন শিক্ষার্থীর হয়ে
থাকেন তাহলে স্টুডেন্ট ,যদি চাকরিজীবী হয়ে থাকেন তাহলে সার্ভিস , যদি
ব্যবসায়ী হয়ে থাকেন তাহলে বিজনেস , যদি গৃহিনী হয়ে থাকেন তাহলে হাউসওয়াই
নির্বাচন করতে হবে।
আড়ো পরুনঃ
আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা লেখার ক্ষেত্রে আপনার সর্বশেষ পাস করা শ্রেণী বা
ডিগ্রি উল্লেখ করতে হবে। আপনার এই তথ্যগুলো সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে , যদি
সঠিকভাবে পূরণ না করেন তাহলে ভেরিফিকেশন এর সময় সমস্যা হবে। আর
আপনি যদি কোন সরকারি চাকরিজীবী হয়ে থাকেন তাহলে আপনার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত
অনুমোদনপত্র প্রয়োজন হবে। আপনি যদি আপনার সঠিক পেশা এবং শিক্ষাগত
যোগ্যতার তথ্য দিয়ে আবেদন করেন তাহলে সহজে এবং অল্প সময়ের মধ্যে আবেদন
প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে।
পুলিশ ভেরিফিকেশন ও পাসপোর্ট প্রসেসিং
আমরা এখন পুলিশ ভেরিফিকেশনও পাসপোর্ট প্রসেসিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো। আপনার
পাসপোর্টের আবেদন জমা এবং বায়োমেট্রিক এর কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পরে পুলিশ
ভেরিফিকেশন হয়ে থাকে। পুলিশ ভেরিফিকেশন কি? পুলিশ ভেরিফিকেশন হলো আপনার আবেদন
জমা দেওয়ার পরে স্থানীয় থানার পুলিশ আপনার ঠিকানা, পরিচয় ও সামাজিক অবস্থান
যাচাই করবেন এর সম্পূর্ণ প্রসেসটাকে পুলিশ ভেরিফিকেশন বলা হয়। পুলিশ
ভেরিফিকেশনের জন্য আপনার বাসা আসতে পারে বা ফোনের মাধ্যমে কল দিও তাদের কাজ
সম্পন্ন করতে পারে। সেজন্য আপনাকে ফোন নাম্বার সব সময় চালু রাখতে হবে।
এছাড়াও অনেক সময় আপনার প্রতিবেশীদের কাছ থেকেও আপনারা সকল তথ্য জেনে থাকতে
পারে। আপনার সকল বিষয়ের যদি ঠিক থাকে তাহলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দিয়ে থাকে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেয়ার পরেই আপনার আবেদনটি সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ হয় এবং
পাসপোর্ট প্রিন্টের জন্য প্রসেসিং শুরু হয়। সকল কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পূর্ণ
হওয়ার পরে আপনার পাসপোর্টটি সময় পর প্রদান করা হবে। আপনি যদি রেগুলার
পাসপোর্ট এর আবেদন করে থাকেন তাহলে সময় বেশি লাগবে, যদি এক্সট্রা ডেলিভারি
পাসপোর্ট এর আবেদন করে থাকেন তাহলে কম লাগবে আর যদি সুপার এক্সপ্রেসও পাসপোর্ট
এর আবেদন করে থাকেন তাহলে আরো সময় কম লাগবে। আপনার পাসপোর্ট আবেদনের
ক্যাটাগরির উপর নির্ভর করবে পাসপোর্ট তৈরি হতে কতদিন সময় লাগবে।
ই-পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে নবায়ন করার নিয়ম
আমরা এখন জানবো ই-পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হলে কিভাবে নতুন করে নবায়ন করতে হবে।
আপনার পাসপোর্ট এর মেয়াদ যদি শেষ হয়ে যায় তাহলে নতুন করে আবেদন না করে
নবায়নের মাধ্যমে নতুন পাসপোর্ট নিতে পারবেন। আপনার নতুন পাসওয়ার্ড মোবাইলের
জন্য অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদনের জন্য আপনার প্রয়োজন হবে পুরাতন
পাসপোর্ট, আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র এবং আরো কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যেগুলো
অনলাইনের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। আবেদন করার সময় আপনাকে রিনিউ পাসপোর্ট অপশন
সিলেক্ট করতে হবে।
এরপরে আপনার পুরাতন পাসপোর্ট এর সকল তথ্য ভালোভাবে দিতে হবে। আপনার আগের
পাসপোর্ট এর কোন তথ্য যদি পরিবর্তন করতে চান তাহলে সেগুলো ভালোভাবে পূরণ করতে
হবে এবং সঠিক তথ্যর মাধ্যমে আবেদন পত্রটি জমা দিতে হবে। আপনার আবেদন পত্রটি জমা
হয়ে গেলে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক করে আসতে হবে। বায়োমেট্রিকের পর
আপনার সকল তথ্য যদি সঠিক থাকে তাহলে নির্দিষ্ট কার্য দিবসের মধ্যে আপনার
পাসপোর্টটি হাতে পাবে।
ই-পাসপোর্ট আবেদন বাতিল হওয়ার প্রধান কারণগুলো
আমরা এখন জানবো পাসপোর্ট এর আবেদন বাতিল হওয়ার প্রধান কারণ গুলো কি কি। আপনি
যদি পাসপোর্টের বাতিল হওয়ার কারণগুলো জেনে থাকেন তাহলে আবেদনের সময় সতর্কতার
সাথে আবেদন করতে পারবেন বা আপনার আবেদনের সময় ভুল হওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকবে
না। আপনার পাসপোর্ট এর আবেদন বাতিল হয়ে যেতে পারে যদি নামের বানান, জন্ম
তারিখের এবং ঠিকানা তথ্যগুলো যদি ভুল করে থাকেন। আপনি যদি আবেদনের সময় কোন
কারণে জাতীয় পরিচয় পত্র, জন্ম নিবন্ধন কার্ড এবং আবেদনের ফরম এর সকল তথ্য একই
রকম না রাখেন তাহলে আপনার আবেদনটি ফিল হয়ে যাবে।
আড়ো পরুনঃ
এছাড়াও আপনি যদি আপনার মোবাইল নাম্বার বা পুরাতন পাসপোর্ট এর তথ্যগুলো ভুল
দিয়ে থাকেন তাহলে আবেদনটি বাতিল হয়ে যাবে। পুলিশ ভেরিফিকেশনে এসে যদি আপনার
বিষয়ে সঠিক তথ্য না পেয়ে থাকে তাহলে আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। তাই আবেদন করার
আগে আপনাকে অবশ্যই সকল বিষয়ে বিস্তারিত ভালোভাবে জেনে নিতে হবে এবং ফ্রর্মে কি
কি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগবে সেগুলো ভালোভাবে জেনে নিতে হবে। আপনি যদি সকল
বিষয়ে আগে থেকেই ভালো জেনে নিয়ে এবং সঠিক কাগজপত্র দিয়ে আবেদন করেন তাহলে
আপনার আর কোন সমস্যা হবে না। তাই আবেদনের সময় সব সময় সকল তথ্য সঠিক রাখতে
হবে।
শেষ কথা: বাংলাদেশের পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণের নিয়ম
আজকের পোস্টটিতে আমরা জেনেছি কিভাবে পাসপোর্ট এর আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হয়,
ফর্ম পূরণের জন্য কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয় এবং প্রয়োজনীয় কি কি কাগজপত্র
লাগে সে বিষয়ে বিস্তারিত জেনেছি। আপনি যদি উপরের পোস্টটি ভালোভাবে পড়ে থাকেন
তাহলে ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে পাসপোর্ট এর আবেদন করতে পারবেন।
প্রিয় পাঠক পোস্টটি পড়ে যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার
বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করবেন এবং আপনার মূল্যবান মন্তব্যটুকু কমেন্টের মাধ্যমে
জানিয়ে দিবেন। আপনি যদি এমন আরো তথ্যমূলক পোস্ট পড়তে চান তাহলে অবশ্যই ইনকোরা
বিডির পেজটিকে হল দিয়ে রাখবেন। প্রিয় পাঠক আপনার সুস্বাস্থ্য এবং
দীর্ঘআয়ু কামনা করে আজকের মত শেষ করছি ভালো থাকবেন, ধন্যবাদ।










ইনকোরা বিডিতে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url