BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড
আজকে আর্টিকেলে আমরা দেখব কিভাবে অনলাইনে বিআরটিএ ড্রাইভিং লাইসেন্স
একাউন্ট খুলতে হয়। এই আর্টিকেলটিতে ড্রাইভিং লাইসেন্স খোলা থেকে শুরু করে
লাইসেন্স হাতে পাওয়া পর্যন্ত সকল বিষয় স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করা হবে এবং
কাজ করে দেখানো হবে।
এছাড়াও পেশাদার ও অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের সকল বিষয়ে এ আলোচনা করা
হবে।আপনারা যারা ঘরে বসে অনলাইনে মাধ্যমে পেশাদার বা অপেশাদার ড্রাইভিং
লাইসেন্স একাউন্ট খোলার কথা ভাবছেন তাদের জন্যই আজকের এই
আর্টিকেলটি।
সূচিপত্রঃ BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড
- BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড
- লার্নার বা শিক্ষানবীস লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- লার্নার বা শিক্ষানবীস লাইসেন্সের আবেদন করার নিয়ম
- বিকাশের মাধ্যমে লাইসেন্সের পেমেন্ট করার নিয়ম
- ড্রাইভিং লাইসেন্স এর প্রকারভেদ
- ড্রাইভিং লাইসেন্স লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি ২০২৬
- ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষার প্রস্তুতি ২০২৬
- ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার ফলাফল দেখার নিয়ম
- ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স ডাউনলোড করার নিয়ম
- ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে করণীয়
- জরুরী ভিত্তিতে স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম
- শেষ কথা: BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড
BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড
ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার আগে আমাদের জানতে হবে ড্রাইভিং লাইসেন্স
কি? ড্রাইভিং লাইসেন্স অর্থ হলো নির্দিষ্ট শ্রেণীর মোটরযান চালানোর জন্য কোন
ব্যক্তি কে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স। আমরা এখন জানবো
বিআরটিএ ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড মোবাইল বা কম্পিউটার এর
মাধ্যমে স্টেপ বাই স্টেপ কিভাবে খুলতে হয়। প্রথমে আমাদের যেতে
হবে আমাদের ফোন বা কম্পিউটারের গুগল ক্রোম ব্রাউজারে গিয়ে BSP
লিখে সার্চ দিবো ,সার্চ দেওয়ার সাথে সাথে বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল চলে
আসবে।
তারপরে বিআরটিএ সার্চ পোর্টালে ক্লিক করলে আমরা লগ ইন অপশনে
যাব কিন্তু আমাদের অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট না থাকার জন্য আমাদেরকে নিচে গিয়ে
Here অপশনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে আমরা বিআরটিএ সার্ভিস
পোর্টালে মূল পেজে প্রবেশ করতে পারবো। মূল পেজে প্রবেশ করলে আমাদের
সামনে একটি বিজ্ঞপ্তি দেখাবে বিজ্ঞপ্তিটা কেটে দিলে পেজের উপরের
দিকে নিবন্ধন নামে একটি অপশন দেখাবে সেই অপশনে ক্লিক করতে হবে তাহলে
আমাদের সামনে নতুন আরেকটি পেজ ক্রিয়েট হবে।
এই পেজটাতে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্টটি রেজিস্টার করতে হবে। রেজিস্টার
করার আগে একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে সেটা হলো সকল তথ্য আপনার ভোটার আইডি কার্ড
এর তথ্য সাথে মিল রেখে পূরণ করতে হবে এবং যে ফোন নাম্বারটা ব্যবহার করবেন সেটা
আপনার ভোটার আইডি দেয়া উত্তোলনকৃত নাম্বার হতে হবে। যদি নাম্বারটা আপনার ভোটার
আইডি কার্ড দিয়ে উত্তোলনকিত না হয় তাহলে একাউন্টটি বাতিল হয়ে যাবে বা
অ্যাকাউন্টটি খোলা যাবে না। সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করার পরে অনুসন্ধান
বাটনে ক্লিক করতে হবে।
অনুসন্ধান বাটনে চাপ দেওয়ার সাথে সাথে আপনার ফোনে একটি ওটিপি যাবে সেই অটিপি
হলুদ তীর চিহ্ন স্থানে বসাতে হবে তারপরে ওটিভি যাচাই অপশনে চাপ দিয়ে ওটিপি যাচাই
করতে হবে। যদি কোন কারণে ওটিপি না আসে হলে "এখানে" লেখা স্থানে চাপ দিয়ে নতুন
করে ওটিপি নিতে হবে। ওটিপি যাচাই চাপ দেওয়ার সাথে সাথে আমাদের নতুন একটি পেজে
নিয়ে যাবে সেখানে গিয়ে আমাদের নাম ঠিকানা যাচাই করে পাসওয়ার্ড দিতে
হবে। দেওয়ার পরে নিচে নিবন্ধন করুন অপশনে চাপ দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন
করতে হবে।নিবন্ধন সম্পূর্ণ হলে ইংলিশে কিছু লেখা আসবে লেখাগুলোর
বাংলা অর্থ হলো "আপনার একাউন্ট সফলভাবে তৈরি হয়েছে। এখন আপনার দেওয় মোবাইল
নাম্বার ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। এছাড়াও ইমেইল ভেরিফাই করার জন্য মেইল
চেক করুন"
এখন এইখানে আমাদের ইউজার নেম, পাসওয়ার্ডটা ও সিকিউরিটি কোড বসিয়ে লগইন
করবো লগইন করার সাথে সাথে আমাদের ফোন নাম্বারে একটি ওটিপি যাবে অটোমেটি বসিয়ে
ভেরিফাই করলে আমাদের একাউন্টে নিয়ে যাবে। একাউন্টে যাওয়ার পরে হোম অপশনে
গিয়ে প্রোফাইলে যেতে হবে।প্রোফাইল অপশনে গিয়ে আমাদের সকল তথ্য যাচাই করে পুরো ফর্মটি পূরণ করতে হবে
পূরণ করা হয়ে গেলে প্রোফাইল হালনাগাদ করলে আমাদের একাউন্ট খোলা
সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।
লার্নার বা শিক্ষানবীস লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
আমাদের যে কোন লাইসেন্স করার আগে অবশ্যই লার্নার লাইসেন্সের আবেদন করতে হবে যদি
লার্নার লাইসেন্সের আবেদন না করা হয় তাহলে ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করতে
পারবো না বা ডাইভিং এর এক্সাম দিতে পারব না তাই অবশ্যই লার্নার লাইসেন্সের আবেদন
করতে হবে। আমরা এখন যানবো লার্নার বা শিক্ষানবীস লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে
কি কি কাগজপত্র ও কত টাকা লাগবে সেই বিষয়ে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- রেজিস্টার্ড ডাক্তার বা এমবিবিএস ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে হবে। (সার্টিফিকেটের সাইজ সর্বোচ্চ ৬০০ কে বি)
- জাতীয় পরিচয়পত্রের স্ক্যান কপি লাগবে (সর্বোচ্চ ৬০০ কে বি)।
- শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদ এর স্ক্যান কপি লাগবে পক্ষে অষ্টম শ্রেণী পাস হতে হবে। (সর্বোচ্চ ৬০০ কে বি)
- বিদ্যুৎ বিল ভাব পানি বিলের কান কপি লাগবে (সর্বোচ্চ ৬০০ কেবি)
- অনলাইনে আবেদনের সময় বাংলা ও ইংরেজিতে নির্ভুল তথ্য যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে।
- অনলাইনে আবেদনের সময় ভুয়া তথ্য প্রদান করা হলে তার স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল সহ তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স দুই ধরনের পেশাদার ও অপেশাদার। লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স
আবেদন ফ্রি ২৫০ টাকা। ড্রাইভিং লাইসেন্সের দক্ষতা যাচাই ফ্রি ২০০ টাকা।
ভ্যাট ৬৮ টাকা। মোট খরচ পড়বে ৫১৮ টাকা এটি হলো যেকোনো শ্রেণীর মোটরযানের
জন্য যেমন শুধু মোটরসাইকেল বা কার।
লার্নার বা শিক্ষানবীস লাইসেন্সের আবেদন করার নিয়ম
আমরা এখন জানবো কিভাবে লার্নার বা শিক্ষানাবীস লাইসেন্সের আবেদন করতে
হয়। নানা লাইসেন্সের আবেদন করার জন্য প্রথমে আমাদের google ক্রমে যেতে হবে।
গুগল ক্রোমের সার্চ অপশনে bsp লিখে সার্চ দিতে হবে চার্জ দেওয়ার পরে আমাদের
বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল থেকে ইউজার লগইন অপশন ইউজার নেমো পাসওয়ার্ড
দিয়ে আমাদের অ্যাকাউন্ট লগইন করে নিতে হবে। অ্যাকাউন্ট লগইন করা হওয়ার করা হলে
হোম গিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স অপশনে ক্লিক করতে হবে সেখান থেকে ড্রাইভিং
লাইসেন্স আবেদন অপশনে যেতে হবে যাওয়ার পরে নিচের দিকে "আমি সম্মত" লেখা আছে
সেখানে ক্লিক করতে হবে।
আড়ো পরুনঃ
তারপরে আমরা দ্বিতীয় পেজে এসে সকল তথ্য যাচাই করে নেক্সট বাসনে চাপ
দেব তাহলে আমাদের সামনে ড্রাইভিং লাইসেন্সের তথ্য চাইবে সেখান থেকে আমাদের
ড্রাইভিং লাইসেন্সের ধরন এবং ক্যাটাগরি সিলেট করতে হবে বাকি সকল কিছু ঠিক থাক
এরপর নেক্সট বাটনে চাপ দিতে হবে। আবেদনকারীর প্রাথমিক তথ্য যাচাই করে নিতে হবে,
যোগাযোগের তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে এরপরে সংযুক্ত এবং কার্ড বিতরণের তথ্যগুলো
ভালোভাবে পূরণ করে নিতে হবে সবগুলো বিষয় নিতে হবে সকল বিষয় যাচাই করার
হয়ে গেলে নিচের দিকে এসে ফ্রি জমা দেওয়া অপশনে চাপ দিয়ে ফ্রি জমা দিতে হবে
।ফ্রি জমা দেওয়ার সাথে সাথে আমাদের আবেদনটি সম্পূর্ণ হবে।
বিকাশের মাধ্যমে লাইসেন্সের পেমেন্ট করার নিয়ম
ড্রাইভিং লাইসেন্স বা যেকোনো লাইসেন্সের আবেদন করার জন্য অবশ্যই ফ্রি জমা দিতে
হয়। আমরা এখন জানব কিভাবে বিকাশের মাধ্যমে লাইসেন্সের ফ্রি জমা দিতে হয়। যে কোন
লাইসেন্স ফ্রি জমা দেওয়ার আগে অবশ্যই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে জমা
দেওয়া হলে নিচের দিকে ফ্রি জমা দেওয়ার অপশন আসবে সেখানে ক্লিক করে ফ্রি জমা
দিতে হবে।
ফ্রি জমা দেওয়ার জন্য পেমেন্ট কনফার্মেশন অপশনে গিয়ে মোবাইল নাম্বার দিতে
হবে তারপরে নাম্বারের পাশে টিক চিহ্ন দিতে হবে। বাকি তথ্যগুলো পূরণ করার পরে
নিচে এসে পেমেন্ট দেওয়ার জন্য বিকাশ অপশন সিলেক্ট করতে হবে। বিকাশ অপশনে
এসে বিকাশ নাম্বার দিয়ে পেমেন্ট সম্পূর্ণ করতে হবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর প্রকারভেদ
আমরা এখন জানবো ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার ও কি কি ? ড্রাইভিং
লাইসেন্স দুই ধরনের যথা পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও অপেশাদার
ড্রাইভিং লাইসেন্স। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স হলো বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক
প্রদত্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স, যাহা দ্বারা কোন ব্যক্তি একজন বেতনভোগী কর্মচারী
হিসেবে মোটরযান বা গণপরিবহন চালানোর অধিকারী হন।
অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স হলো বিয়ের কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স যাহা
দ্বারা কোন ব্যক্তি নিজ গাড়ি চালানোর অধিকারী হন। সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ধারা
হয়-৬ (২ক) অনুযায়ী অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে
ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং হতে হবে আর পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর
ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়স ২১ বছর হতে হবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি ২০২৬
ড্রাইভিং লাইসেন্স লিখিত পরীক্ষার জন্য যে সকল প্রশ্ন ২০২৬ সালে আসার মত সেগুলোর
নিচে আলোচনা করা হলো। ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় তিন ধাপে ভাবে দিতে হয়
প্রথম ধাপ হলো লিখিত পরীক্ষা লিখিত পরীক্ষায় যদি কেউ উত্তীর্ণ না হতে পারে তাহলে
দ্বিতীয় ধাপে তাকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয় না একবার ফেল করলে তাকে আবার নতুন
করে লার্নার আবেদন করতে হয় এবং পরবর্তীতে আবার পরীক্ষা দিতে হয়।
আড়ো পরুনঃ
১। প্রশ্নঃ মোটরযান কাকে বলে?
উত্তরঃ যন্ত্র চালিত যান যাহার চালিকাশক্তি ভিতরে এবং বাহিরে
থেকে আসে তাকে মোটরযান বলে।
২। প্রশ্নঃ মটরযান চালকের কি কি কাগজপত্র মোটরযানের সঙ্গে রাখতে হয়
উত্তরঃ ক। ড্রাইভিং লাইসেন্স, খ।রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকে, গ।
ফিটনেস সার্টিফিকেট , ঘ ট্যাক্স
টোকেন।
৩। প্রশ্নঃ মোটরসাইকেল হেলমেট পরিধান ও আরোহী বহন সম্পর্কে আইন কি
উত্তরঃ চালিত মোটরসাইকেল একজনের অধিক যাত্রী বহন করা যাবে
না এবং তার তার
সাথে কালো ও যাত্রী উভয়কে যথাযথভাবে
হেলমেট ব্যবহার করতে হবে।
৪। প্রশ্নঃ সড়ক দুর্ঘটনা প্রধান কারণ কি কি
উত্তরঃ অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস ,মাত্রা অতিরিক্ত গতি,
অনুমোদিত ওভারটেকিং, অতিরিক্ত যাত্রী ও
মালামাল বহন।
৫। ড্রাইভিং লাইসেন্স কি?
উত্তরঃ ড্রাইভিং লাইসেন্স অর্থ হলো নির্দিষ্ট কোনো মোটর যান
চালানোর জন্য কোন ব্যক্তিকে
কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স।
৬। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে?
উওরঃপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স অর্থ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক
প্রদত্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স যারা কোন ব্যক্তির
বেতনভোগী কর্মচারী হিসেবে মটর জানো পরিবহন চালানোর অধিকারী হন
৭। ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার বয়সসীমা কত?
উওরঃ পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে ২১ বছর
এবং অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর
ক্ষেত্রে ১৮ বছর।
৮। ট্রাফিক সাইন বা রোড সাইন কত প্রকার ও কি কি?
উওরঃ ট্রাফিক সাইন বা রোড সাইন প্রধানত তিন প্রকারঃ
বাধ্যতামূলক, সতর্কতামূল, তথ্যমূলক।
৯। ট্রাফিক সিগনাল কত প্রকার ও কি কি?
উওরঃ ট্রাফিক সিগন্যাল তিন প্রকারঃ বাহুর সংকেত, আলো সংকেত ,
শব্দ সংকেত।
১০। ট্রাফিক লাইট সিগন্যাল চক্র গুলি কি কি উত্তর?
উওএঃ লাল, সবুজ, হলুদ এবং পুনরায় লাল।
১১। রেল কোচিং কত প্রকার ও কি কি?
উওরঃরেল ক্রসিং দুই প্রকার এক রক্ষিত রেল কোচিং
অরক্ষিত
১২। মোটরযানের পেছনের অবস্থান পর্যবেক্ষণের জন্য কতক্ষণ পরপর লুকিং গ্লাস দেখতে
হবে?
উওরঃ প্রতি মিনিটে ৬ থেকে ৮ বার।
১৩। কোন ধরনের মোটরযানকে ওভারটেক করার সুযোগ দিতে হবে?
উওরঃ যে মোটরযানের গতি বেশি, এম্বুলেন্স ফায়ার
সার্ভিস ইত্যাদি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষার প্রস্তুতি ২০২৬
ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষা যে সকল প্রশ্ন বা প্রতীক বা চিহ্ন ধরে থাকেন
সেগুলোর নিচে নামসহ দেয়া হলো। ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষায় তিন ধরনের
প্রতীক চিহ্ন বা রোড সাইন বেশি ধরে থাকেন সেগুলো হলো তথ্যমূলক
বাধ্যতামূলক, তথ্যমূলক সংকেত, সতর্কতামূলক সংকেত।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার ফলাফল দেখার নিয়ম
আমরা এখন জানবো কিভাবে অনলাইনে এর মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার ফলাফল
দেখতে হয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার ফল দেখার জন্য প্রথমে আমাদের গুগল ক্রোম ব্রাউজারে
গিয়ে Dsp রেজাল্ট লিখে সার্চ দিতে হবে। তাহলে আমাদের সামনে DSP.DCTB
Result এর একটি লিঙ্ক আসবে, এই লিংকে ক্লিক করে প্রবেশ করতে হবে।
তাহলে আমাদের সামনে একটি পেজ আসবে পেজটিতে গিয়ে আমাদের সিলেট করতে হবে কোন ধরনের
লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দিয়েছি। তারপরে শাখা,স্থান,তারিখ সাথে ভেরিফাই কোড
দিয়ে ভেরিফাই করতে হবে। তাহলে আমাদের সামনে রেজাল্ট শীট চলে আসবে। রেজাল্ট
শিট থেকে রেজাল্ট দেখার জন্য উপরে সার্চ অপশনে গিয়ে নাম বা রোল দিয়ে সার্চ দিতে
হবে তাহলে রেজাল্ট দেখা যাবে।
ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স ডাউনলোড করার নিয়য
আমরা এখন ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স ডাউনলোড করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত
জানব। ই-ডাইভিং লাইসেন্স ডাউনলোড করার জন্য প্রথমে আমাদের ফোন বা কম্পিউটার
থেকে গুগল ক্রোম ব্রাউজারে যেতে হবে। ক্রোম ব্রাউজারে গিয়ে
bsp.brta,gov.bd লিখে সার্চ দিতে হবে। তাহলে আমাদের সামনে বিআরটিএ
সার্ভিস পোর্টাল পেজ আসবে সেখান থেকে উপরের দিকে "প্রবেশ করুন" লেখা আছে
সেখানে ক্লিক করতে হবে। প্রবেশ করুন অপশনে চাপ দেওয়ার পরে নতুন আরেকটি পেজ
আসবে সেখানে ইউজার নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে আইডি লগইন করতে হবে।
আড়ো পরুনঃ
আইডি লগইন করা পরে হোম গিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন অপশনে
প্রবেশ করতে হবে।সেখান থেকে নিচের দিকে আসলে দেখা যাবে ই- ড্রাইভিং
লাইসেন্স লেখা আছে , ই ড্রাইভিং অপশনে প্রবেশ করতে হবে। তাহলে তিন
পেজের পিডিএফ ফাইল ওপেন হবে সেখান থেকে ফাইল গুলো ডাউনলোড করে নিজের
কাছে রাখতে হবে। এই কাগজগুলো থাকলে চালাতে আর কোন সমস্যা হবে না।
ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে করণীয়
ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয় এবং কিভাবে
নতুন লাইসেন্স পাওয়া যায় সে বিষয়ে বিস্তারিত জানবো। যদি কোনো কারণে ড্রাইভিং
লাইসেন্স এর স্মার্ট কার্ড হারিয়ে যায় তাহলে সর্বপ্রথম নিকটবর্তী থানায় একটি
জিডি করতে হবে। আমরা চাইলেই জিডির কাগজ দিয়ে রোডে চলতে পারব না, এজন্য
আমাদের জিডির কাগজ নিয়ে নিকটবর্তী বিআরটিএ অফিসে গিয়ে ড্রাইভিং
লাইসেন্স হারিয়ে গিয়েছে এই মর্মে একটি আবেদন ফরম জমা দিতে হবে।
আবেদন ফরমটি পেয়ে বিআরটিএ তদন্তকারীর টিম তদন্ত করে দেখবে আপনার
লাইসেন্সটি হারানোর আগে কোন প্রকার মামলা আছে কিনা বা কোন অসামাজিক বা রাষ্ট্র
বিরোধী কোন কাজের সময় লাইসেন্সটি হারিয়ে গিয়েছে কিনা। যদি তদন্ত করার পরে
সকল বিষয়ে ঠিক থাকে তাহলে আপনাকে একটা ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান
করবে, তাহলে আপনি ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এবং জিডির কাগজ কাগজ দিয়ে আপনার
মোটরযান চালাতে পারবেন যতদিন ফোন না পর্যন্ত আপনার স্মার্ট কার্ড টি তৈরি না
হয়
জরুরী ভিত্তিতে স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম
আমরা কিভাবে জরুরী ভিত্তিতে স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স উত্তোলন করব এবং
উত্তোলন করতে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে সেই বিষয়ে জানব। আমরা যারা
বাংলাদেশের মোটরযান চালায় তাহলে আমাদের শুধু ই ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকলে হয়।
তাহলে স্মার্ট কার্ড মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স কাদের জন্য প্রয়োজন, আমরা যারা
বিদেশে কোন কর্মসংস্থানের জন্য বা লেখাপড়ার জন্য যেতে চাচ্ছি তাদের জন্য স্মার্ট
কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স অত্যন্ত জরুরী। আপনি যদি বিদেশে গিয়ে ড্রাইভিং পেশা বা
নিজের মোটরযান ডাইভিং করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রয়োজন
হবে। আপনার যদি স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকে তাহলে বিদেশে গিয়ে
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন না তাই আপনার দেশে থাকতে স্মার্ট
কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স করে নিতে হবে ৷
আড়ো পরুনঃ
স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স উত্তোলনের জন্য কিছু কাগজপত্র
প্রয়োজন হবে সেগুলো হলো: প্রথমে লাগবে একটি আবেদন পত্র, পাসপোর্ট এর ফটোকপি, ই
ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি, ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি, ভিসার ফটোকপি, বিমান
টিকিটের ফটোকপি এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট।স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স উত্তোলনের জন্য আবেদন পত্রটা লিখবেন
কিভাবে। আবেদন পত্রের বিষয় লিখতে হবে "জরুরী ভিত্তিতে স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং
লাইসেন্স উত্তোলনের জন্য আবেদন"।আপনি বাংলাদেশ বিআরটি এর যে শাখায় ই-ড্রাইভিং
লাইসেন্স করেছেন,সেই শাখাতেই স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স আনার জন্য আবেদন
করতে হবে।স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করার পরে উপরোক্ত কর্তৃপক্ষ সকল
বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে দেখার পরে সবকিছু যদি ঠিক থাকে তাহলে আপনি ১৫ কার্য
দিবসের মধ্যে আপনার স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়ে যাবেন।
শেষ কথা: BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড
আমরা যারা মোটরযান ড্রাইভিং করব তাদের জন্য একটি কথা হলো সব সময় নিজের মাথাকে
ঠান্ডা রাখতে হবে এবং শারীরিকভাবে সুস্থ না থাকলে মোটরযান ডাইভিং করা থেকে বিরত
থাকতে হবে। উপরের আর্টিকেলটিতে আমরা আজকে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর আবেদন থেকে শুরু
করে ড্রাইভিং লাইসেন্স হাতে আসা পর্যন্ত কি কি পদক্ষে গ্রহণ করতে হয় সে বিষয়ে
বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এছাড়াও জেনেছি ড্রাইভিং লাইসেন্স এর সাথে আরো কি কি
কাগজপত্র প্রয়োজন হয় বা সাথে রাখতে হয় ড্রাইভিং করার জন্য সেসব বিষয়
বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
প্রিয় পাঠ আপনার যদি উপরের আর্টিকেলটি ভালো লেগে থাকে এবং আর্টিকেলটি পড়ে
নিজেকে উপকৃত মনে করেন তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করবেন।এমন আরো
তথ্য মূলক আর্টিকেল পেতে ইনকোরা বিডির পেজকে ফলো দিয়ে রাখুন। প্রিয় পাঠক
আর্টিকেল তুই শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আপনার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করে আজকে এখানেই শেষ করছি ভালো
থাকুন,সুস্থ থাকুন এবং ইনকোরা বিডির সাথে থাকুন।












ইনকোরা বিডিতে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url