ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলব
আমরা আজকের এই
পোস্টটিতে ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলতে
হয় সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করে বা
অনলাইনে কাজ করে ডলার আয় করছেন কিন্তু সহজে ও নিরাপদে সেই ডলার রিসিভ করার উপায়
খুঁজছেন?
Payoneer হলো বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক একটি পেমেন্ট প্লাটফর্ম,
যার মাধ্যমে সহজেই ডলার রিসিভ করা যায়। সেই ডলার গ্রহণ করে সহজেই নিজের
ব্যাংক একাউন্টে ট্রান্সফার করে টাকা উত্তোলন করা যায়। নিচে
Payoneer অ্যাকাউন্ট খোলার সম্পূর্ণ ধাপ আলোচনা করা হলো।
পেজ সূচিপত্রঃ ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলব
- ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলব
- ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer অ্যাকাউন্টের প্রয়োজনীয়তা
- Payoneer অ্যাকাউন্ট খুলতে কী কী প্রয়োজন
- ফ্রিল্যান্সারদের ডলার রিসিভ করার জন্য কেন Payoneer উপযুক্ত
- বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে Payoneer-এর গুরুত্ব
- Payoneer অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা কতটুকু
- Payoneer ব্যবহারের সাধারণ কিছু সমস্যা এবং তার সমাধান
- ডলার রিসিভ করার পর Payoneer থেকে টাকা তোলার পদ্ধতি
- শেষ কথাঃ ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলব
ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলব
আমরা এখন জানবো ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলতে হয়।
বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস বা বিদেশি কোন ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে
ডলার গ্রহণের জন্য Payoneer একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। আমরা যারা নতুন তারা অনেকেই
জানিনা কিভাবে Payoneer অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। নিচে অ্যাকাউন্ট খোলার সকল নিয়ম
ধাপে ধাপে আলোচনা করা হবে। অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য গুগল ক্রোম ব্রাউজার থেকে
Payoneer এর অফিসের ওয়েবসাইটে যেতে হবে। অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পরে
উপরের দিকে ডান সাইডে Register নামে একটি বাটন আছে। বাটনটতে ক্লিক করলে একাউন্ট
খোলার জন্য ফর্ম চালু হবে।
রেজিস্ট্রেশন শুরু হলে Payoneer জানতে চাইবে আপনি কি ধরনের অ্যাকাউন্ট খুলতে চান।
আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার, ইউটিউবার, ডিজিটাল মার্কেট বা বিদেশি
ক্লাইন্ট থেকে ডলার কখন করতে চান তাহলে personal account সিলেক্ট করুন।
তাহলে আপনার ব্যক্তিগত আন্তর্জাতিক সকল পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন।
এরপরে let's gate started! অপশনে গিয়ে আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার, ইমেইল
এড্রেস,কান্ট্রি সিলেক্ট করুন। আপনার সকল ব্যক্তিগত তথ্য অবশ্যই জাতীয়
পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট অনুযায়ী দিতে হবে। যদি কোন কারণে তথ্য ভুল দিয়ে থাকেন
তাহলে একাউন্ট তৈরি হতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এখানে আপনার বিজনেস ইনফর্মেশন বা কাজের ধরন পূরণ করুন। “Tell us more about your
business?” এই লেখার মাধ্যমে জানতে চাচ্ছে আপনি কি ধরনের কাজের জন্য পেমেন্ট
গ্রহণ করবে। এখানে আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী Freelance Services, Graphic Design,
Web Development, Digital Marketing, Content Writing বা অনুরূপ কোনো অপশন
নির্বাচন করতে হবে। এরপরের অপশনে জানতে চাইবে আপনি একা কাজ করবেন নাকি দলগতভাবে
কাজ করবেন। আপনি যদি একাই কাজ করেন, তাহলে Just Me দিবেন। যদি দলগতভাবে কাজ করেন
তাহলে কতজন কাজ করছেন সেটা দিবেন। এরপরে জানতে চাইবে আপনি কতগুলো প্রতিষ্ঠানে
একসঙ্গে কাজ করেন। আপনি যদি একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে থাকেন তাহলে 1 দিবেন। এর
পরে আপনি যদি Payoneer-এর অফার এবং আপডেট ইমেইলে পেতে চান তাহলে প্রথম অপশনে টিক
দিন। সবগুলো অপশন সিলেক্ট করা হয়ে গেলে নেক্সট বাটনে চাপ দিন।
এরপরে enter your address অপশনে গিয়ে আপনার ঠিকানা ও যোগাযোগ তথ্য দিতে হবে।
প্রথমে বর্তমান ঠিকানা, জেলা শহর, পোস্ট কোড এবং দেশ সিলেক্ট করতে হবে। এখানে
আপনার সকল তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী দিতে হবে। কারণ সঠিক তথ্য
প্রদান করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় Payoneer ঠিকানা যাচাই করার জন্য আরো
কিছু অতিরিক্ত ডকুমেন্ট চাইতে পারে।
এরপরে set your password অপশনে গিয়ে প্রথমে ইউজারনেম, তারপরে একটি শক্তিশালী
পাসওয়ার্ড পাসওয়ার্ড দিতে হবে। তারপরে সিকিউরিটি প্রশ্ন অনুযায়ী
সিকিউরিটি উত্তর দিতে হবে।
এরপর add bank account অপশন থাকে আপনার ব্যাংক একাউন্ট সিলেট করতে হবে। আপনি ডলার
যে ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে নিতে চান সেই ব্যাংক একাউন্ট সিলেক্ট করতে হবে।
তারপরে ব্যাংক একাউন্ট হোল্ডার নাম এবং অ্যাকাউন্ট নাম্বার দিতে হবে।
এরপরে verify your identity অপশন থেকে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এর দুই
পাশের ছবি তুলে সাবমিট করতে হবে।
সকল তথ্য পূরণ করা হয়ে গেলে পুনরায় আরেকবার চেক করে নিতে হবে। যাতে কোন তথ্য
বাদ না পড়ে ভুল না হয়। যদি তথ্য বাদ পরে বা ভুল হয় তাহলে একাউন্ট তৈরি হতে
সমস্যা দেখা দিবে। সবকিছু চেক করার পরে সাবমিট বাটনে চাপ দিতে হবে। আপনার সকল
তথ্য ডকুমেন্ট যাচাই সম্পন্ন হলে Payoneer সাধারণত ১ থেকে ৩ কার্যদিবসের
মধ্যে অ্যাকাউন্ট চালু করে দিবে।
ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer অ্যাকাউন্টের প্রয়োজনীয়তা
আমরা এখন জানব ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer অ্যাকাউন্টের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে।
বর্তমান সময়ে অনলাইন বিজনেস, ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক ডিজাইন
ইত্যাদি মাধ্যম একে নিরাপদে ডলার রিসিভ করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। এমন
পরিস্থিতিতে Payoneer অ্যাকাউন্ট একাউন্ট একটি কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে।
Payoneer অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে সহজেই বিদেশ থেকে ডলার,পাউন্ড সহ বিভিন্ন মুদ্রা
রিসিভ করা যায়।
আড়ো পরুনঃ
Payoneer অ্যাকাউন্ট একটি আন্তর্জাতিক অ্যাকাউন্ট এর মত কাজ করে এবং গ্রাহককে
পেশাদার পেমেন্ট ব্যবস্থা তৈরি করে দেয়। Payoneer একাউন্টের মাধ্যমে ডলার রিসিভ
করে সহজেই বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে ট্রান্সফার করা যায়। যারা
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ই-কমার্স, ড্রপশিপিং অথবা রিমোট জব করেন, তাদের জন্য
Payoneer অ্যাকাউন্ট ডলার রিসিপ এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সেজন্য আপনি যদি ডলার রিসিভ করতে চান তাহলে আপনার জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং,
ই-কমার্স, ড্রপশিপিং অথবা রিমোট জব করেন, তাদের জন্য Payoneer অ্যাকাউন্ট অত্যন্ত
প্রয়োজন।
Payoneer অ্যাকাউন্ট খুলতে কী কী প্রয়োজন
আমরা এখন জানবো Payoneer অ্যাকাউন্ট খুলতে কী কী প্রয়োজন হয় সেই সম্পর্কে।
Payoneer অ্যাকাউন্ট খুলতে কিছু তথ্য ও ডকুমেন্টের প্রয়োজন হয়। অ্যাকাউন্ট
খোলার জন্য প্রথমে একটি সচল ইমেইল এবং মোবাইল নাম্বার থাকতে হবে। এরপরে জাতীয়
পরিচয় পত্র, পাসপোর্ট, বৈধ ডাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে। আপনার নিজের নামে একটি
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। এই ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি Payoneer অ্যাকাউন্ট খুলতে
প্রয়োজন হবে কারণ Payoneer থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য ব্যাংক একাউন্ট
বাধ্যতামূলক। এরপরে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী সকল ঠিকানা দিতে হবে।
অ্যাকাউন্ট খোলার সময় সকল তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্ট অনুযায়ী দিতে
হবে। কোন তথ্য যেন বাদ না পরে বাবুল না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
ফ্রিল্যান্সারদের ডলার রিসিভ করার জন্য কেন Payoneer উপযুক্ত
আমরা এখন জানবো ফ্রিল্যান্সারদের ডলার রিসিভ করার জন্য কেন Payoneer উপযুক্ত।
ফ্রিল্যান্সারদের কাছে Payoneer অনেক জনপ্রিয় ডলার রিসিভ করার একটি মাধ্যম। কারণ
Payoneer এর সাহায্যে সহজে ডলার রিসিভ করা যায়, তুলনামূলক সময় কম লাগে এবং
আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা। বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সারা Payoneer এর
ডলার রিসিভ ব্যবস্থাকে সমর্থন করে বা ব্যবহার করছে। ফলে কাজ শেষ করার পর
ফ্রিল্যান্সাররা সহজে ডলার রিসিভ করতে পারছে তেমন কোন ঝামেলা ছাড়াই।
Payoneer এর সবচাইতে সুবিধা হলো বিদেশি ক্লায়েন্টের থেকে সরাসরি ডলার রিসিভ করা
যায় এবং সেই ডলার বাংলাদেশের ব্যাংকে ট্রান্সফার করে টাকা উত্তোলন করা যায়।
অন্যান্য ডলার রিসিভ করার মাধ্যম থেকে Payoneer এর ডলার রিসিভ করার মাধ্যম অনেক
নিরাপদ এবং দ্রুত সম্পন্ন কাজ করে। যারা নিয়মিত বিদেশি ক্লায়েন্টদের সাথে
বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকেন, তাদের জন্য Payoneer এর ডলার রিসিভার
অ্যাকাউন্ট অনেক বেশি কার্যকরী একটা সমাধান হিসেবে কাজ করে।
আড়ো পরুনঃ
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে Payoneer-এর গুরুত্ব
আমরা এখন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে Payoneer-এর গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।
বাংলাদেশে বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সার, ডিজিটাল মার্কেটার, গ্রাফিক
ডিজাইনার,কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ইউটিউবার এমন আরো অনলাইন আয়ের খাত অনেক দ্রুত
বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ এসব কাজে নিয়োজিত হচ্ছে।
বাংলাদেশে এই সকল অনলাইন আয় করা মানুষদের ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer এর
একাউন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
Payoneer সহজে বিদেশ থেকে বৈদেশিক ডলার দেশে আনার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য
দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। Payoneer ব্যবহারের জন্য অনেক ব্যাংকিং
জটিলতা কমিয়ে সহজে এবং দ্রুত ডলার রিসিভ করার সুবিধা দেওয়ার কারণে এটি
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের মাঝে প্রথম পছন্দ হয়ে উঠেছে। এছাড়া দেশের অনেক
ডিজিটাল মার্কেটার,গ্রাফিক ডিজাইনার, ভিডিও এডিটর,কন্ট্রোল রাইটার, সফটওয়্যার
ডেভেলপমেন্টরা Payoneer এর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত বিদেশ থেকে ডলার রিসিভ
করছেন।
Payoneer অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা কতটুকু
আমরা এখন Payoneer অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা কতটুকু সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।
Payoneer অ্যাকাউন্ট আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করে থাকে।
Payoneer অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার জন্য Two-Factor Authentication,
OTP ভেরিফিকেশন, এনক্রিপ্টেড ডাটা সিস্টেম এবং উন্নত মনিটরিং প্রযুক্তি ব্যবহার
করেন। Payoneer যদি বুঝতে পারে সন্দেহজনক লগইন, অস্বাভাবিক লেনদেন বা নিরাপত্তা
ঝুঁকি দেখা দিচ্ছে তাহলে গ্রাহককে দ্রুত সতর্ক করে। তবে নিরাপত্তা Payoneer এর
উপর নির্ভর থাকলেই হবে না গ্রাহক কেউ সজগণ থাকতে হবে। কখনোই OTP, পাসওয়ার্ড বা
নিরাপত্তা তথ্য অন্য কারো সাথে শেয়ার করা যাবে না। একাউন্টে আরো বেশি নিরাপদ
করার জন্য শক্তিশালী একটি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে এবং নিয়মিত নিরাপত্তা
সেটিং আপডেট করলে একাউন্ট আরো বেশি নিরাপদ থাকবে।
Payoneer ব্যবহারের সাধারণ কিছু সমস্যা এবং তার সমাধান
আমরা এখন Payoneer ব্যবহারের সাধারণ কিছু সমস্যা এবং তার সমাধান সম্পর্কে জানব।
Payoneer অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার সময় সাধারণ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন
ভেরিফিকেশন হতে দেরি হওয়া, ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করার অনুমতি না পাওয়া, পেমেন্ট
গোল্ড হয়ে যাওয়া এবং টাকা উত্তোলনে সময় সময় বেশি লাগা। এ সকল সমস্যা হওয়া
প্রধান কারণ গুলো হলো কোন তথ্য ভুল দেওয়া, কোন ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ না দেওয়া বা
পরিচয়পত্রের ছবি সঠিকভাবে না দেওয়া।
যদি কোন সমস্যা দেখা দেয় তাহলে সমাধানের জন্য সঠিক তথ্য বা ডকুমেন্ট আপলোড করতে
হবে এবং প্রয়োজনে Payoneer Customer Support-এর সাথে যোগাযোগ করতে হবে। এছাড়াও
অনেক নতুন ব্যবহারকারী যারা বিদেশি ক্লায়েন্টের থেকে সরাসরি পেমেন্ট নেওয়ার
সময় বিভিন্ন সমস্যায় পড়ে থাকেন। এ সকল সমস্যা এড়ানোর জন্য পেমেন্ট নেওয়া আগে
সকল বিষয় ভালোভাবে জেনে নিতে হবে। সবসময় Payoneer এর দেওয়া সকল নির্দেশনা
ব্যবহার করতে হবে তাহলে সকল ধরনের সমস্যা এড়িয়ে চলা যাবে।
আড়ো পরুনঃ
ডলার রিসিভ করার পর Payoneer থেকে টাকা তোলার পদ্ধতি
আমরা এখন ডলার রিসিভ করার পর Payoneer থেকে টাকা তোলার পদ্ধতি সম্পর্কে জানব।
Payoneer একাউন্টে ডলার রিসিভ করার পর সরাসরি নিজের ব্যাংকে ট্রান্সফার করে টাকা
উত্তোলন করা যায়। এজন্য প্রথমে Payoneer একাউন্টে প্রবেশ করে Withdraw
অপশনে যেতে হবে। এরপর একাউন্ট খোলার সময় যে ব্যাংক একাউন্ট ব্যবহার করা হয়েছিল
নির্বাচন করতে হবে এবং কত টাকা উত্তোলন করতে চান সেটি উল্লেখ করতে হবে। Payoneer
নিজে থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডলারকে বাংলাদেশি টাকা কনভার্ট করে ব্যাংকে পাঠিয়ে
দিবে। টাকা ব্যাংকে জমা হওয়ার জন্য এক থেকে তিন কার্য দিবস পর্যন্ত সময় নিতে
পারে। টাকা ব্যাংক একাউন্টে জমা হওয়ার পরে এটিএম, মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংকের
বিভিন্ন শাখা থেকে উত্তোলন করা যায়।
শেষ কথাঃ ডলার রিসিভ করার জন্য Payoneer অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলব
আজকের এই পোস্টটিতে আমরা Payoneer অ্যাকাউন্ট খোলার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া
ধাপে ধাপে জেনেছি।Payoneer অ্যাকাউন্ট খোলার পুরো প্রক্রিয়া দেখতে
কিছুটা কঠিন মনে হলেও প্রতিটি ধাপ সঠিকভাবে অনুসরণ করলে এটি খুব সহজেই করা
যায়। Payoneer অ্যাকাউন্ট খোলার সময় সকল তথ্য সঠিক এবং নির্ভুলভাবে
দিতে হবে। আপনি যদি পোস্টটি শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে পড়ুন এবং প্রতিটা
ধাপ যদি ভালোভাবে ফলো করেন, তাহলে সহজেই Payoneer
অ্যাকাউন্ট খুলে ডলার রিসিভ করতে পারবেন।
প্রিয় পাঠক পোস্টটি শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ
এবং পোস্টটি পড়ে যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার
করবেন। এমন আরো তথ্যমূলক এবং অনলাইন আয় সম্পর্কিত পোস্ট পড়তে
চাইলে পেজটিকে ফলো করে রাখুন পোস্টটি পড়ে যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে
অবশ্যই আপনার মূল্যবান মন্তব্যটি আমাদের সঙ্গে কমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার
করবেন।










ইনকোরা বিডিতে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url